সোমবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২০

Turkey to break economic triangle of evil with reforms: Erdogan

Turkey to break economic triangle of evil with reforms: Erdogan

TURKEY TO BREAK ECONOMIC TRIANGLE OF EVIL WITH REFORMS: ERDOĞAN

"We hope to overcome troubles from economic attacks and the pandemic measures as soon as possible. By speeding up structural reforms, we are determined to form a system based on production and employment and breaking the interest rates, inflation and exchange rates ," President Erdoğan said at an opening in Ankara via video link from Istanbul.

"Turkey will bring in structural reforms to break the triangle of evil of interest rates, inflation and exchange rates," President Recep Tayyip Erdoğan said on Saturday, adding Ankara was determined to form a system based on production and employment.

Speaking via video link at a ceremony in Ankara, Erdoğan said 2021 would be "the year of democratic and economic reforms" and that efforts to present the reforms to parliament would move "as soon as possible".

"We hope to overcome troubles from economic attacks and the pandemic measures as soon as possible. By speeding up structural reforms, we are determined to form a system based on production and employment and breaking the interest rates, inflation and exchange rates triangle of evil," Erdoğan said.

"We are not carrying out democratic reforms because anyone forced us to, but because our people deserve them," he added.

Erdoğan has called interest rates the "mother of all evil" and says he believes high rates stoke inflation - counter to monetary theory. He has often characterised Turkey's economic woes as the result of foreign attacks on the economy.

বাইচু(BYSO) ওরগানাইজেশনের পক্ষ থেকে দক্ষিণ নওগাঁও হাফিজিয়া মাদ্রাসায় শীত বস্ত্র বিতরণ।

বাইচু(BYSO) ওরগানাইজেশনের পক্ষ থেকে দক্ষিণ নওগাঁও হাফিজিয়া মাদ্রাসায় শীত বস্ত্র বিতরণ।

বাইচু ওরগানাইজেশনের পক্ষ থেকে দক্ষিণ নওগাঁও হাফিজিয়া মাদ্রাসা, এতিমখানা ও লিল্লাহ্ বডিংয়ে শীত বস্ত্র বিতরণ।

✍️ মিজানুর রহমান, মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুর।



চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বাংলাদেশ ইয়ংস্টার সোশ্যাল অর্গানাইজেশন (বাইচু) এর পক্ষ থেকে  দক্ষিণ নওগাঁও হাফিজিয়া মাদ্রাসা, এতিমখানা ও লিল্লাহ্ বডিংয়ের ছাত্রদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। 


এর আগে মাদ্রাসার সকল ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক মতলব উত্তর গজরা বাজার শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার (ম্যানেজার) এবং দক্ষিণ নওগাঁও হাফিজিয়া মাদ্রাসা, এতিমখানা ও লিল্লাহ্ বডিং মাদ্রাসার সভাপতি মামুনুল হক মজুমদার (মামুন)।


গত ২৬ ডিসেম্বর (শনিবার) বিকালে মতলব দক্ষিণ উপজেলার নওগাঁও গ্রামে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বাংলাদেশ ইয়ংস্টার সোশ্যাল অর্গানাইজেশন (বাইচু) এর সদস্যদের উপস্থিত'তে দক্ষিণ নওগাঁও হাফিজিয়া মাদ্রাসা, এতিমখানা ও লিল্লাহ্ বডিংয়ের সকল ছাত্রদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ সম্পন্ন করা হয়।


উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে আরো উপস্থিত ছিলেন ওবায়দুল হক মজুমদার, ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল্লাহ (বাবুল ঢালী), শামসুল আরেফিন মজুমদার (ফুহাদ), দিপু প্রধানীয়া সহ প্রমূখ।

বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০

স্বামীকে বেঁধে রেখে ৫ সন্তানের মাকে ১৭ জন মিলে পালাক্রমে গনধর্ষণ

স্বামীকে বেঁধে রেখে ৫ সন্তানের মাকে ১৭ জন মিলে পালাক্রমে গনধর্ষণ

 

ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের দুমকা জেলায় মঙ্গলবার রাতে স্বামীকে বেঁধে রেখে পাঁচ সন্তানের জননীকে পালাক্রমে গন ধর্ষণ করেছে ১৭ জন।

রাজ্যটির রাজধানী রাচি থেকে ৩০০ কিলো উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জেলাটিতে এ বিরল মর্মান্তিক বর্বর ঘটনা ঘটে। বুধবার গণধর্ষণের স্বীকার গৃহবধূর স্বামী থানায় গিয়ে ধর্ষকদের বিরুদ্ধে এফআইআর মামলা দায়ের করেন। সূত্র হিন্দুস্তান টাইমসের।

সানথাল জোনের ডিআইজি সুদর্শন মণ্ডল ও জুমকা জেলার এসপি ঘটনাস্থল আম্বরলাকরা গ্রাম পরিদর্শন করে নির্যাতিতার জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন।

বাজার থেকে রাতে বাড়ি ফেরার পথে স্বামীকে আটকে রেখে ওই গৃহবধূকে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে মাতাল ওই দুর্বৃত্তের দল।

৩৫ বছরের ওই নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে। ধর্ষকদের মধ্যে একজনকে শনাক্ত করেছেন ধর্ষণের স্বীকার ওই নারী। তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। 

সোর্সঃ যুগান্তর

কুমিল্লায় নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী দেড় শতাধিক পুলিশ খাবার খেয়ে অসুস্থ

কুমিল্লায় নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী দেড় শতাধিক পুলিশ খাবার খেয়ে অসুস্থ

 

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় উপনির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা দেড় শতাধিক পুলিশ সদস্য স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টের খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পরিষদ উপনির্বাচনে দায়িত্ব পালনকালে তারা স্থানীয় ওই রেস্টুরেন্টের খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অসুস্থ পুলিশ সদস্যদের ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুতর অসুস্থ ৪৮ পুলিশ সদস্য।

অসুস্থ পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসার খোঁজখবর নিতে বুধবার রাত ১টার দিকে জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. নিয়াতুজ্জামান স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণপাড়া ও বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তারা।  

বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মীর হোসেন মিঠু জানান, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হবে। অসুস্থ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা সদর ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

সোর্সঃ যুগান্তর 

নতুন প্রজন্মের জানা উচিত কে এই বেগম জিয়া?

নতুন প্রজন্মের জানা উচিত কে এই বেগম জিয়া?

বেগম জিয়ার রেকর্ড সমূহঃ

তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী। স্বামী রণাঙ্গনে দেশ স্বাধীন করার জন্য যুদ্ধ করছে আর স্ত্রী প্রতিপক্ষের শিবিরে বন্দি অবস্থায় স্বামীর সাফল্যের জন্য দুহাত তুলে মোনাজাত করছেন।এটা শের আফগান ও মেহেরুন্নেসার(পরবর্তীতে নুরজাহান)জীবনীকে হার মানায়। 

তিনি একজন প্রাক্তন সেনাপ্রধানের স্ত্রী। তিনি একজন প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের স্ত্রী। তিনি সার্ক এর প্রতিষ্ঠাতার স্ত্রী। তিনি তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী। তিনি দুইবার সংসদের প্রধান বিরোধীদলীয় নেত্রী। 

তিনি বাংলাদেশের প্রথম ফাস্টলেডি। যে রেকর্ড ভাঙার সাধ্য কারো নেই ! তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। যে রেকর্ড ভাঙার সাধ্য কারো নেই। তিনি মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী। এই রেকর্ডও ভাঙার সাধ্য কারো নেই। স্বামী ছিলেন প্রেসিডেন্ট আর স্ত্রী অর্থাৎ তিনি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী এই couple record বাংলাদেশে আর কারো নেই। এটা এখনো পর্যন্ত বেগম জিয়ার দখলে !

তিনি ৯১,৯৬ ও ২০০১ সালে প্রতিটি নির্বাচনে পাঁচটি করে সিটে দাঁড়িয়েছেন এবং প্রতিবার পাঁচটিতেই জিতেছেন! এই রেকর্ড এখনো কেউ ভাঙতে পারেনি।  ২০০৮ সালে মঈনুদ্দিন ফকরুদ্দিন সরকার বেগম জিয়াকে টার্গেট করে পাঁচ সিটে দাঁড়ানো যাবেনা-সর্বোচ্চ তিন সিটে দাঁড়ানো যাবে আইন করলে বেগম জিয়া তিন সিটে দাঁড়ান এবং তিন সিটি জয়লাভ করেন। 

তিনিই বাংলাদেশে একমাত্র আপোষহীন নেত্রী। যিনি আপোষ কাকে বলে সেই শব্দ তাঁর অভিধানে নেই ! 

এই রেকর্ড বাংলাদেশে বেগম জিয়া আর মাওলানা ভাসানী ছাড়া আর কারো নেই !!

আভিজাত্যের ছোঁয়ায় লালিত হয়েও তিনি ছিলেন গণমুখী ও দেশদরদী_তাঁর ব্যক্তি জনপ্রিয়তা সবসময়ই ছিল তুঙ্গে_যার ধারে কাছে এখনো কেউ যেতে পারেনি একমাত্র শহীদ জিয়া ছাড়া। 

তিনিই বাংলাদেশে একমাত্র নারী প্রধানমন্ত্রী যিনি চার চার বার বন্দি হয়েছেন_একবার পাকিস্তান সরকার- দ্বিতীয়বার এরশাদ সরকার_তৃতীয়বার মঈনুদ্দিন /ফখরুদ্দিন সরকার ও চতুর্থবার শেখ হাসিনা সরকার আমলে_যদি ২০১৪ সালের বালুর ট্রাক দ্বারা অঘোষিত গৃহবন্দিত্ব এবং দুর্নীতি মামলা সহ ধরি তাহলে ছয়বার হবে বন্দিত্ব জীবন_এই বন্দিত্ব জীবনের রেকর্ডটিও বেগম জিয়ার দখলে!

ম্যাডাম থেকে 'মা' হতে পারার রেকর্ডটি বিশ্বে একমাত্র বেগম জিয়ার দখলে। আর যদি_বিশ্বের নারী প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হয়_তাহলে তিনিই হবেন সুদর্শনা যে রেকর্ড ভাঙতে হলে অনেকেরই পুনর্জন্ম নিতে হবে !!

এতগুলো রেকর্ড একজনের দখলে এটাও একটি বিশ্বরেকর্ড !!

বুধবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২০

ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্যে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগে খালেদা জিয়া সহ তারেক-ফখরুলের বিরুদ্ধে মামলা

ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্যে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগে খালেদা জিয়া সহ তারেক-ফখরুলের বিরুদ্ধে মামলা

 

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নেতাদের ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্যে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করা হয়েছে।

জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকী ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদারের আদালতে আজ বুধবার  মামলাটি দায়ের করেন। বাদী নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়া ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্য দেয়ায় হেফাজত ইসলামের আমির জুনায়েদ আহমেদ বাবুনগরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মুহাম্মদ মামুনুল হক ও ইসলামী শাসনতন্ত্রের সৈয়দ ফয়জুল করিমকেও মামলার আসামি করা হয়েছে।

আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পরে আদেশ দেবেন বলে জানিয়েছেন মামলার বাদী এ বি সিদ্দিকী।

সূত্র- মানবজমিন

রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২০

ভাস্কর্যের পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ায় ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

ভাস্কর্যের পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ায় ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

ভাস্কর্যের পক্ষ-বিপক্ষে যুক্তি দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কবি জসীম উদদীন হল শাখা ছাত্রলীগের এক নেতাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে। তার নাম কবির হোসাইন। তিনি হলের শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

আজ শনিবার (৫ ডিসেম্বর) সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, সংগঠনের নীতি-আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে কবির হোসাইন (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কবি জসীম উদদীন হল শাখা ছাত্রলীগ)-কে ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হলো।

জানা গেছে, কবির হোসাইন সম্প্রতি তার ফেসবুক আইডিতে ভাস্কর্যের পক্ষ-বিপক্ষে যুক্তি দিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে এক জায়গাতে তিনি উল্লেখ করেন, “মামুনুল হক যদি কুরআনের ভুল ব্যাখ্যা করে, তার কণ্ঠনালী কেটে দাও, যদি কুরআন ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে কথা বলে, আল্লাহ এটাকে হারাম করে, তবে কোন বাপের বেটা এটাকে হালাল করার সাহস রাখে? কুরআনোর বিরোধিতা যেই করবে তার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে ১ সেকেন্ডও অপেক্ষা করবে না ঈমানদাররা! হোক সে মামুমুল হক, মুজিব, জিয়া! হোক সে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, বামাতি বা জামাতি!”

এই স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে কবির হোসাইনকে ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে ওই হল শাখা ছাত্রলীগের শীর্ষ এক নেতা দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র- দৈনিক ক্যাম্পাস

শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২০

তুরস্ককে বাদ দিয়ে নতুন প্রজন্মের অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার তৈরি করছে ন্যাটো ও ইইউ

তুরস্ককে বাদ দিয়ে নতুন প্রজন্মের অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার তৈরি করছে ন্যাটো ও ইইউ

ইইউ ও ন্যাটোভুক্ত পাঁচটি শক্তিশালী রাষ্ট্র একত্রিত হয়ে পরবর্তী প্রজন্মের অত্যাধুনিক মিডিয়াম মাল্টিরোল হেলিকপ্টার তৈরির জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

এই প্রজেক্ট, যাকে ন্যাটো High Visibility Project(HVP) হিসে আখ্যা দিয়েছে, তাতে যুক্ত হওয়া দেশগুলো হলোঃ- ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, ইতালি, জার্মানি ও গ্রিস।

পরবর্তী প্রজন্মের অত্যাধুনিক এই রোটরক্রাফটগুলো ২০২২ সালের মধ্যে ডেভেলপমেন্ট শুরু, এবং ২০৩৫-২০৪০ সালের মাঝে সবগুলো দেশের সার্ভিসে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


মিডিয়াম মাল্টিরোল হেলিকপ্টারগুলো বিভিন্ন ট্যাকটিকাল অপারেশন চালানোর কাজে ব্যবহৃত হবে। যার মধ্যে রয়েছে সার্চ এন্ড রেসকিউ মিশন, মাঝারি সাইজের সৈন্য পরিবহনকারী হিসেবে কাজ করা, অ্যান্টি সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার ইত্যাদি।

ফ্রান্স থেকে রাফায়েল যুদ্ধ বিমান ক্রয় করছে ইন্দোনেশিয়া

ফ্রান্স থেকে রাফায়েল যুদ্ধ বিমান ক্রয় করছে ইন্দোনেশিয়া

ফরাসী প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ফ্লোরেন্স পার্লি নিশ্চিত করেছেন, যে ইন্দোনেশিয়া তার দেশ থেকে রাফালে যুদ্ধবিমান কিনতে আগ্রহী। এই নিয়ে ফ্রান্স এবং ইন্দোনেশিয়ার মাঝে একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়া দীর্ঘদিন ধরে তাদের বহরে থাকা এফ-5 টাইগারগুলোর প্রতিস্থাপনের জন্য বিকল্প তালাশ করছিল। তাদের আগ্রহের তালিকায় ইউরোফাইটার টাইফুন,এফ-16 ভাইপার্স এবং রাশিয়ান সু-35  অগ্রাধিকার পেয়ে আসছিল। এমনকি রাশিয়ান সু-35 ক্রয়ের চুক্তি পর্যন্ত হয়েছিল। কিন্তু মার্কিন চাপে এবং মার্কিন অবরোধের ভয়ে চুক্তি থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হয়।

নিক্কেই এশিয়ান রিভিউ অনুসারে, ইন্দোনেশিয়া বিমান বাহিনী প্রধান "সুবিয়ান্তো" অক্টোবরে ফ্রান্স সফরকালে 48 টি রাফালে যুদ্ধ বিমান ক্রয়ের জন্য আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। যা এখন প্রায় মোটামুটি নিশ্চিত। রাফালের সাম্প্রতিক গ্রাহকদের মধ্যে রয়েছে ভারত এবং গ্রীস। রাফালে প্রকৃতপক্ষেই বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে এফ-16 এর শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
সোমালিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

সোমালিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প



মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমালিয়া থেকে বেশিরভাগ আমেরিকান সামরিক ও সুরক্ষা কর্মীদের অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন, যেখানে তারা আল-শাবাব জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে, পেন্টাগন শুক্রবার জানিয়েছে

ট্রাম্প "প্রতিরক্ষা বিভাগ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফ্রিকা কমান্ডকে ২০২১ সালের শুরুর দিকে সোমালিয়া থেকে সিংহভাগ কর্মী ও সম্পদ পুনঃস্থাপনের আদেশ দিয়েছেন।"

প্রতিরক্ষা বিভাগ জোর দিয়েছিল যে আমেরিকা "আফ্রিকা থেকে সরে আসবে না বা ছাড়ছে না", মহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে তোলার উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে।

"আমরা দুর্দান্ত শক্তি প্রতিযোগিতায় আমাদের কৌশলগত সুবিধা বজায় রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করার সাথে সাথে আমাদের স্বদেশকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে এমন হিংসাত্মক উগ্রবাদী সংগঠনগুলিকে অবজ্ঞার অব্যাহত রাখব।

"ইউএস আফ্রিকা কমান্ড সোমালিয়ায় প্রায় ,০০ সেনা, মার্কিন নিরাপত্তা অভিযানের অন্যান্য সদস্য ও বেসরকারী সুরক্ষাকারী ঠিকাদারকে রক্ষণাবেক্ষণ করেছে, দু'জনই আল-শাবাবের উপর হামলা চালিয়ে সোমালি বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।

মার্কিন কর্মীরা নভেম্বরের শেষদিকে সিআইএ অফিসারের মৃত্যু সহ কিছু হতাহতের শিকার হয়েছেন।

ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষা সচিব ক্রিস মিলার এক সপ্তাহ আগে সোমালিয়া সফর করেছিলেন, যেখানে তিনি "এই অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থ, অংশীদার এবং মিত্রদের হুমকিস্বরূপ হিংসাত্মক উগ্রবাদী সংগঠনের অবক্ষয় দেখে মার্কিন পুনরুদ্ধার কমিটি তার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন," পেন্টাগন বলেছিল।

ট্রাম্প তার শেষ সপ্তাহে অফিসে মার্কিন সেনা ব্যস্ততা বিদেশে বন্ধ করার চেষ্টা করার পরে এই পদক্ষেপ এলো।

তিনি আফগানিস্তান ও ইরাকে জানুয়ারীর মাঝামাঝি সময়ে মার্কিন সেনা পর্যায়ের মাত্রা কমানোর জন্য এবং উভয় ক্ষেত্রেই ২,৫০০ সৈন্যকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

পেন্টাগন শুক্রবার বলেছে যে সোমালিয়া থেকে বহিষ্কার হওয়া কিছু লোককে পার্টনার দেশগুলিতে ফেরত পাঠানো হবে যাতে অংশীদার বাহিনীর সাথে একযোগে উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে সীমান্ত সীমান্ত অভিযানের অনুমতি দেওয়া হয়।

"আমেরিকা সোমালিয়ায় সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযান পরিচালনা করার ক্ষমতা বজায় রাখবে এবং স্বদেশের জন্য হুমকির বিষয়ে প্রাথমিক সতর্কতা এবং সূচক সংগ্রহ করবে," এতে বলা হয়েছে।

ট্রাম্পের মার্কিন সেনা টানার সিদ্ধান্ত কিছু সোমালিসের কাছ থেকে হতাশার জন্ম দিয়েছে, যারা আগত মার্কিন রাষ্ট্রপতির এই সিদ্ধান্তকে প্রত্যাহারের আবেদন করেছিলেন।

আল-শাবাবের বিদ্রোহকে উল্লেখ করে সিনেটর আইয়ুব ইসমাইল ইউসুফ রয়টার্সকে এক বিবৃতিতে রয়টার্সকে বলেছেন, "আল-শাবাব ও তাদের বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে সফল লড়াইয়ে এই জটিল পর্যায়ে সোমালিয়া থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার মার্কিন সিদ্ধান্ত অত্যন্ত দুঃখজনক।"

"সোমালিয়ার সেনেট বিদেশ বিষয়ক কমিটির সদস্য ইউসুফ বলেছেন," মার্কিন সেনারা সোমালি সৈন্যদের প্রশিক্ষণ এবং পরিচালন কার্যকারিতার উপর বিশাল অবদান রেখেছে এবং "

সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি একটি টুইট বার্তায় মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত জো বিডেনকে ট্যাগ করেছিলেন।

শনিবার ভোরে সোমালি সরকারকে তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যে পৌঁছানো যায়নি।

সোমালিয়ার নাজুক আন্তর্জাতিক সমর্থিত সরকার এই মাসে সংসদীয় নির্বাচন এবং ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এটি ১,০০০,০০০-শক্তিশালী আফ্রিকান ইউনিয়নের শান্তিরক্ষী বাহিনীর পরিকল্পিত অবসানের পূর্বসূরী।

এই অঞ্চলে এক উত্তাল সময়ে মার্কিন প্রত্যাহার আসে ইথিওপিয়া, যা শান্তিরক্ষী বাহিনীর প্রধান সৈন্যদাতা এবং দ্বিপক্ষীয়ভাবে সোমালিয়ায় আরও হাজার হাজার সেনা রয়েছে, গত মাসে শুরু হওয়া অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে সে বিভ্রান্ত হয়েছে। এটি ইতিমধ্যে এর শত শত শান্তিবাহিনীকে নিরস্ত্র করে তুলেছে।

১৯৯১ সাল থেকে সোমালিয়া গৃহযুদ্ধের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে, তবে ২০০৮ সালে শান্তিরক্ষী বাহিনীর প্রবেশের ফলে সেনাবাহিনীর ক্রমবর্ধমান সরকারী কাঠামো যেমন সৈনিকদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা প্রদান ও সোমালি বিশেষ বাহিনী গঠনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল। দানব।

তবে সোমালি সামরিক বাহিনীর সাথে অনেক সমস্যা রয়ে গেছে, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ সহ।

সোর্সঃ ডেইলি সাবাহ

বঙ্গবন্ধুর নির্মাণাধীন ভাস্কর্যে ভাঙচুর চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা

বঙ্গবন্ধুর নির্মাণাধীন ভাস্কর্যে ভাঙচুর চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা

কুষ্টিয়া শহরের পাঁচ রাস্তার মোড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মাণাধীন ভাস্কর্যে দুর্বৃত্তরা ভাঙচুর চালিয়েছে।এতে ভাস্কর্যের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত বলেন, ‘ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। রাত দুইটার দিকে দুজনকে দেখা যাচ্ছে তারা ভাস্কর্য ভাঙচুর করছে। তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। অচিরেই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

জানতে চাইলে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সাংসদ ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘কুষ্টিয়ায় এ ধরনের নোংরা কাজ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। যারাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে এবং মদদ দিয়েছে, তাদের প্রত্যেককে কঠিন শাস্তি পেতে হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ইতিমধ্যে পুলিশকে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

কুষ্টিয়া পৌরসভা সূত্র জানায়, নভেম্বর মাসে পৌরসভার নিজস্ব অর্থায়নে শহরের পাঁচ রাস্তার মোড়ে বঙ্গবন্ধুর তিনটি ভাস্কর্য করার সিদ্ধান্ত হয়। পাঁচ রাস্তার মোড়ে অনেক আগে তৈরি করা শাপলার ভাস্কর্য ভেঙে সেখানে তিনটি প্রধান সড়কের দিকে মুখ করে তিনটি ভাস্কর্য করা হচ্ছে। নিচের দিকে জাতীয় চার নেতার মুর‌্যাল থাকবে। দরপত্রের মাধ্যমে যশোরের একজন ভাস্কর মাহবুব জামাল শামীম কার্যাদেশ পান। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩০ লাখ টাকা। ১৭ নভেম্বর থেকে কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে মজমপুরের দিকে মুখ করে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ দেওয়ার একটি ভাস্কর্য তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। কিন্তু গতকাল শুক্রবার রাতে কে বা কারা ভাস্কর্যের বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলে।

কুষ্টিয়া পৌরসভার মেয়র আনোয়ার আলী বলেন, ধারণা করা হচ্ছে যারা আওয়ামী লীগের বিরোধী, বঙ্গবন্ধুকে যারা মানতে পারে না; তারাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা করা হচ্ছে।

এদিকে এ ঘটনার পর জেলার সবগুলো ভাস্কর্যে অতিরিক্ত নজরদারি শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন বলেন, কালেক্টরেট চত্বরসহ জেলায় যতগুলো ভাস্কর্য আছে সবগুলো সিসি ক্যামেরার আওতায় নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নজরদারি বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট ইউএনওদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তুরস্ক কাশ্মীরে যুদ্ধের জন্যে সিরিয়ান যোদ্ধা পাঠানোর খবর গুজব

তুরস্ক কাশ্মীরে যুদ্ধের জন্যে সিরিয়ান যোদ্ধা পাঠানোর খবর গুজব



তুরস্ক কাশ্মীরে যুদ্ধের জন্যে সিরিয়ান যোদ্ধা পাঠাচ্ছে বা তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান সিরিয়ান যোদ্ধাদের কাশ্মীরে পাঠানো শুরু করেছে। খবরটা গুজব।

তবে এই রকম খবর শুনতেও ভালো লাগে।এই প্রপাগান্ডা পাকিস্তানীরা চালাতে পারে। এবং এতে অবশ্যই দাদা বাবুদের ধুতি ভিজে যাওয়ার কথা।

এর আগে একটা খবর চাউড় হয়েছিল, তুরস্ক পাকিস্তানকে যুদ্ধের জন্যে এট্যাক ড্রোন সাপ্লাই দেওয়া শুরু করেছে।

এটাও ভারতের জন্যে কাপড় ভিজে যাওয়ার মত খবর।বিশেষ করে আজারবাইজান যুদ্ধে আর্মেনিয়রা যে পরিমাণ মাইর খেয়েছে তুর্কী ড্রোন দিয়ে, এতে বড় চিন্তারই বিষয় ভারতের জন্যে। 

ভারত কারাবাখ যুদ্ধে সরাসরি সমর্থন দিয়েছে আর্মেনিয়াকে। তাদের মিডিয়া থেকে সোশাল এক্টিভিস্টরা সবাই সমর্থন দিয়েছিল।

পাকিস্তানে তুরস্কের ড্রোন বা সিরিয়ান যোদ্ধা, দুইটাই এখন পর্যন্ত আসে নি। তবে পাকিস্তানে তুরস্কের ড্রোন আসবে এটা নিশ্চিত। এবং তুরস্ক ফুল সাপোর্ট দিবে এটাই নিশ্চিত।

ড্রোন এবং টেকনোলজি সম্পুর্ন পাওয়ার পরে যখন যুদ্ধ লাগবে,  তখন জানা জাবে তুরস্কের ড্রোন এসেছে। এর আগে কেউ জানবে না।

মানে ভারতীরা মাইর খাওয়ার আগে টের পাবে না,তবে ওদের মনে মধ্যে ভয় ঢুকে গিয়েছে। 

এই ভয় নিয়েই থাকুক। সীমান্তে ঝামেলা কম করবে ভারত।  আগামী ৩-৪ মাসের সীমান্তে সংঘাত এনালাইসিস করলেই ঘটনা বোঝা যাবে।
বিষয় করে ফাস্ট ফায়ার ভারতের সেনারা কতটা কেইসে করছে।

দেখে যাক। আর ড্রোনের ভয়েই থাকুক দাদা বাবুরা।

আজারবাইজান যুদ্ধে, তুরস্ক ও পাকিস্তান যেভাবে আজারবাইজান ভাইদের পাশে দাঁড়িয়েছে, ভারতের ভয়ের একটাই সবচেয়ে বড় কারণ। মুসলিমরা তাদের নির্যাতিত ভাইদের পাশে দাঁড়ানো শিখতেছে নতুন করে।আগামীতে আরো বেশি দাঁড়াবে।ইন শা আল্লাহ।

® হাসান আকন্দ
-সামরিক বিশ্লেষক 
যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসার বৈঠক থেকেও ভাস্কর্য হারাম ঘোষণা

যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসার বৈঠক থেকেও ভাস্কর্য হারাম ঘোষণা

আল্লাহর ৯৯ নাম খচিত একটি 'মুজিব মিনার' নির্মণের বিকল্ল প্রস্তাবসহ পাঁচদফা প্রস্তাব দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। যাত্রবাড়ী বড় মাদ্রাসায় এক বৈঠকে শনিবার সরকারকে এ প্রস্তাব দেয়া হয়।

এ সভায় পাঁচটি প্রস্তাব গৃহীত হয় তার মধ্যে রয়েছে বায়তুল মোকাররম এলাকা থেকে আটক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মুক্তি ও মহানবীর অবমাননাকারীদের শাস্তির বিধান নিশ্চিতকরন।

শীর্ষ আলেমদের একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করবেন বলে প্রস্তাবনা গৃহীত হয়।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দেশজুড়ে আলোচিত মাওলানা মামুনুল হকসহ কওমি অঙ্গনের শীর্ষ ও প্রভাবশালী ওলামা সমাজ।

ক্যালকুলেটিভ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ক্যালকুলেটিভ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পররাষ্ট্রনীতি ধীরে ধীরে মুসলিম ব্রাদারহুডের ছায়ায় যেসব দেশের সরকার রয়েছে তাদেরকে ঘিরে আবর্তিত হতে যাচ্ছে।

প্যালেস্টাইন সলিডারিটি ডে তে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি উচ্চকণ্ঠে প্যালেস্টাইনের পক্ষে থাকার ঘোষণা দিয়ে আমিরাত, বাহরাইনকে মেসেজ দেয়ার চেষ্টা করেছেন তোমরা যেটা করেছো ওটা ঠিক না।

একই সাথে ফিলিস্তিনের পক্ষে যেসব রাষ্ট্র সরব তুরস্ক, কাতার,  গাম্বিয়া তাদের সাথেই আছেন এমন একটা মেসেজও রয়েছে।

আমেরিকার ইন্দোপ্যাসিফিক জোট, চায়নার অর্থনৈতিক প্যাচ,  ভারতের রোহিঙ্গাদের ঘিরে বিশ্বাসঘাতকতা প্রধানমন্ত্রীকে দিন দিন তুর্কী বলয়ে ঠেলে দিচ্ছে।

বাইডেন তুরস্কের উপর স্যাঙ্কশন আরোপ না করলে তুরস্কের সাথে সামরিক চুক্তি হতে পারে বাংলাদেশের। এবং আগামীর মিয়ানমারের সাথে সম্ভাব্য যুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী তৈরি থাকারই ইঙ্গিত দিচ্ছেন। শিঘ্রই এরদোয়ানের বাংলাদেশ সফরও দেখা যেতে পারে।

একই সাথে কাতারের শক্তিশালী লবিং ব্যবহার করে ইন্দোপ্যাসিফিক জোটে অংশ না নিয়েই রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান আমেরিকাকে দিয়ে করানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের সাথে তুরস্কের বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। কয়েকটি চুক্তিও হয়েছে। লেবাননের ঘটনার পর তুরস্কের বাংলাদেশি জাহাজ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন।

বাংলাদেশের আগামীর পররাষ্ট্রনীতি হবে ভারসাম্যমূলক। চায়না, ভারত ও আমেরিকাকে এড়িয়ে তুরস্ক কাতারের সাথে বেশি দহরমমহরম দেখা যেতে পারে।

নাগার্নো কারাবাখ যুদ্ধে তুরস্ক প্রমাণ করেছে তারা যার পক্ষে থাকে, সেখানে গোপনীয়তা বজায় রাখে না। সবকিছু দিয়ে তাকে সাপোর্ট দেয়। এবং রোহিঙ্গাদের জন্য হলেও প্রধানমন্ত্রীর তুরস্ককে লাগবে। আবার সাউথ এশিয়াতে তুর্কী প্রভাব বাড়াতেও বাংলাদেশকে তুরস্কের চাই।

তুরস্কের মধ্যস্থতায় আগামীতে পাকিস্তান বাংলাদেশের উষ্ণ সম্পর্ক দেখা যেতে পারে। কারন বাংলাদেশের এখন রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে জোট লাগবে। সেখানে পাকিস্তানও থাকবে। ইমরান খান ইতোমধ্যে ইঙ্গিতও দিয়েছেন। ফলে মুক্তিযুদ্ধে হত্যাকাণ্ডের জন্য পাকিস্তান দুঃখপ্রকাশও করতে পারে।

রোহিঙ্গা প্রশ্নে জাতিসংঘে বারবার চীন, রাশিয়ার বিপক্ষ ভোট,ভারতের চুপ থাকা, এসব কিছুই নিরাশ করে প্রধানমন্ত্রীকে নতুন উদীয়মান শক্তির কাছাকাছি নিয়ে যাচ্ছে। আবার চীনের মত টাকা দিয়ে সাহায্য করার মত কাতারও রয়েছে।

সবকিছু ঠিক থাকলে আমরা সামনে একটি স্মার্ট পররাষ্ট্রনীতি দেখতে পাচ্ছি। যেখানে সব দেশের সাথেই ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে।

ভাস্কর্য নিয়ে যেসব হুজুররা চিল্লাফাল্লা করতেছেন, তারা থামতে পারেন, কারন প্রধানমন্ত্রীর আগামীর পদক্ষেপ আপনাদের পক্ষেই যাবে।

আর যারা ভাস্কর্য নিয়ে হুজুরদের তুলোধোনা করছেন, তারাও থামুন। কারন আপনাদের সামনে খারাপ সময় অপেক্ষা করছে। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এখন খুবই ক্যালকুলেটিভ দেখা যাচ্ছে। প্রতিটা কথাও বলছেন মেপে মেপে। হেফাজত, জামাত, কওমী খুব বেশি বাড়াবাড়ি না করলে তাদের দমানোর ইচ্ছা নাই এখনো।

যেহেতু বিরোধি জোট বলে কিছু নাই, আওয়ামীলীগের বিপক্ষেও টিকার মতো কেউ নাই, তাই অভ্যন্তরীণ গোলযোগ তৈরি না করে প্রধানমন্ত্রীকে আন্তর্জাতিকভাবে খেলার সুযোগ দিন।

কারন আগামীর চার বছরের উপরই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভর করছে।
Credit:Tansen Rose
TB2 ড্রোনে SATCOM ইন্সটল,রাশিয়ান গোয়েন্দা গ্রেফতারঃ তুরস্ক

TB2 ড্রোনে SATCOM ইন্সটল,রাশিয়ান গোয়েন্দা গ্রেফতারঃ তুরস্ক


TB2 ড্রোনে SATCOM ইন্সটল করা হয়েছে। এখন থেকে এটি TB-2s নামে পরিচিত হবে। 
SATCOM এর মাধ্যমে এটি গ্রাউন্ড স্টেশন ছাড়াই সেটেলাইট গাইডেন্সের মাধ্যমে এক দেশ থেকে অন্য দেশে গিয়ে আক্রমণ করতে পারবে।

অন্যদিকে TB-2 ড্রোন ফ্যাক্টরির ম্যানেজমেন্ট বিল্ডিং এর পাশ থেকে দুইজন ছদ্মবেশী রাশিয়ান সাংবাদিককে গ্রেফতার করে জেলে দেয়া হয়েছে । ধারণা করা হচ্ছে তারা রাশিয়ান গোয়েন্দা সংস্থার লোক ।

শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০

জীবনের সাত রঙ

জীবনের সাত রঙ



ছেলেটার সাত বছরের রিলেশন ছিলো মেয়েটার সাথে। মেয়েটা আমাদের ডিপার্টমেন্টেই পড়তো। নাম মোহনা।

.

ভাইয়ের নাম ছিলো সামস। আমাদের হলেই থাকতেন। তিন ব্যাচ সিনিয়র। কোনদিনও হাসি ছাড়া দেখিনি উনাকে। এতো ভদ্র ছেলে পুরো ক্যাম্পাসে পাওয়া দুষ্কর ছিল। মেয়েটাকে ভালোও বাসতেন পাগলের মতো। প্রায়ই দেখা যেতো ক্যাম্পাসে হাতে হাত রেখে হেটে চলেছেন দুজনে। আমাদের চোখে চোখ পড়তেই অবশ্য হাত ছেড়ে দিয়ে লাজুক হাসি দিতেন শামস ভাই!  মাঝে মাঝেই রাত তিনটা-চারটায় ঘুম থেকে উঠে দেখতাম, হলের করিডোরের এক কোনায় দাড়িয়ে ভাই তখনও গুজুর গুজুর করেই চলেছেন! 

.

একটা চাকরির অভাবে সেই সম্পর্কটাই বদলে গেল কী ভীষনভাবে!

 

ততোদিনে ভাইয়ের মাস্টার্স পাস করা শেষ। চাকরি পাচ্ছেন না বলে হলে থেকে গিয়েছিলেন আরও দেড় বছরের মতো।মেয়েটা ছেড়ে চলে গিয়েছিলো মাস্টার্স শেষের এক বছরের মাথায়। যাবেই না বা কেনো, সুন্দরী মেয়ে, বাসায় বিয়ের প্রস্তাব এসেছে, সেই ছেলে আবার প্রসাশনের ক্যাডার।

 

→যাওয়ার আগে মেয়ে বলে গিয়েছিলো, "চাকরি পাও না, যোগ্যতা নেই, তো প্রেম করতে এসেছিলে কেন?"

.

ব্রেকাপের পর ভাই প্রায়ই আমার রুমে আসতেন সিগারেট খেতে। হাতে সবসময় কোনো না কোনো বিসিএসের বই থাকতোই। ঘন্টার পর ঘন্টা ধোঁয়া ছাড়তেন আর মাথে মাঝে উনার জীবনের গল্প বলে চলতেন। বাড়ির রান্নাঘরের কোনাটা ভেঙে পড়েছে, বড় বোনটার বিয়ের বয়স হয়ে গিয়েছে, বাপ আবার পেনশনে গেছে এই বছর। মাঝে মাঝে কথা বলা বন্ধ করে সিলিং ফ্যানের দিকে তাকিয়ে থাকতেন। কি যেন ভাবতেন। হয়তো সে ভাবনা আমাদের ধরাছোয়ার বাইরে!

.

মাস্টার্সের দেড় বছরের মাথোয় সামস ভাইকে  হল থেকে বের করে দেয়া হয়েছিলো। বের করে দিয়েছিলো তারাই, যারা সামস ভাইয়ের হেল্প পেতে পেতে এতদূর এসেছে, যাদের হলে ব্যাবস্থা করে দেয়েছিলেন সামস ভাই নিজেই।

.

যেদিন বেরিয়ে যান, অঝোর ধারায় চোখ থেকে পানি পড়ছিলো। ভার্সিটিতে ক্লাস সেরে এসে দেখি, ভাই বের হয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আমাকে দেখে চোখে পানি নিয়ে অনেক কষ্টে একটা হাসি দিয়ে বলেছিলেন, "আর যাই করিস, প্রেম করতে যাস না ভাই। জীবনটা ছাই বানিয়ে দেবে। " কথাটা কাগজে লিখে দেয়ালে টানিয়ে রেখেছিলাম! 


উপরের কথাগুলো প্রায় বছর-দশক আগের।


ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত একটা কাজে বহুদিন ধরে চেষ্টা করছিলাম কোনো এক কাষ্টমস অফিসারের সাথে যোগাযোগ করতে, বিষেশত ভার্সিটির কোনো বড় ভাইয়ের সাথে। হেল্প বেশি পাওয়া যায় তাহলে।খোজ-খবর নিয়ে যা জানতে পারলাম, মাথা ঘুরে যাবার উপক্রম হলো। শামস ভাই এখন ঢাকা এয়ারপোর্টের নামীদামী কাষ্টমস অফিসার!! 

.

সময় করে একদিন গেলাম ভাইয়ের অফিসে। ঝা চকচকে সেক্রেটারিয়েট টেবিলের একপাশে বসে ছিলেন ভাই, আমাকে দেখে বিশাল এক হাসি দিয়ে এগিয়ে এসে বুকে বুক মেলালেন। একথা সেকথার পর উঠল সংসার জীবনের কথা, বললাম, বিয়ে-থা করিনি এখনো, বোহেমিয়ান জীবনই ভালো লাগছে। ভাইয়ের কথা জিজ্ঞেস করতে বললেন, বিয়ে করেছেন, একটা ফুটফুটে বাচ্চাও হয়েছে। ভাবী আবার সলিমুল্লাহ মেডিকেলের ডাক্তার।

.

অনেকক্ষন যাবত মনের সধ্যে একটা কথা বাজছিল, শেষ পর্যন্ত জিজ্ঞেস করেই ফেললাম, "মোহনার কথা মনে পড়েনা, ভাই?" বেশ বড়সড় একটা হাসি দিয়ে বললেন, "না রে। জীবনে যা চেয়েছিলাম, তার চেয়ে অনেক বেশি পেয়ে গিয়েছি। এখন আর এইসব ছোটখাট চাওয়াগুলো পাত্তা পায়না।"


জিজ্ঞেস করলাম, "মোহনার আর কোনো খবর পাননি?" কিছুক্ষন চুপ থেকে বললেন, "শুনেছিলাম বছরখানেক আগে ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে। এরপর আর কোনো খবর পাইনি। "

.

ভাইয়ার গাড়ি তে একসাথে ফেরার পথে ভাইয়ের বলা একটা কথা প্রায়ই কানে বাজে "লাইফে কাউকে ঠকাস না রে। লাইফ কাউকে ছাড় দেয়না, প্রতিশোধ নিয়েই ছাড়ে। রিভেঞ্জ অফ নেচার! "

.

 সত্যিই, লাইফ কি ভীষনভাবে রং পাল্টায় ! 


 


পড়ার জন্য ধন্যবাদ,শেয়ার করুন 😘